1. swapanittefaq@gmail.com : dailyvision24.net :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
রেলপথে মাদক পাচার রোধে অভিযান, তিতুমীর এক্সপ্রেস থেকে মাদক উদ্ধার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ চ্যাম্পিয়ন ঈশ্বরদী ফুটবল একাদশকে সংবর্ধিত করল স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্ট খাল-বিলে পানি নেই, পাট পচাতে বিপাকে ঈশ্বরদীর কৃষক রূপপুরের কমিশনিং নিয়ে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা, প্রতিবাদ জানালো এনপিসিবিএল মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের ঢল পাবনা-ঢাকা ট্রেনের ঈশ্বরদী জংশনে স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ২০ ঈশ্বরদী নিউ এরা ফাউন্ডেশনে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প ও ছানি অপারেশন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: বিতর্ক, বাস্তবতা ও নিরাপত্তা নিয়ে মুখোমুখি এনপিসিবিএল-এর এমডি

শীতের আগমনে ব্যস্ততা বেড়েছে লেপ-তোশকের কারিগরদের

ষ্টাফ রিপোর্টার:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

হেমন্তের শেষে শীতের আগমন ঘটেছে। উত্তরের হিমেল বাতাস বইছে, আর ভোরে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দুই বলে দিচ্ছে শীত এসেছে। এখন আর কাঁথা বা হালকা কম্বল গায়ে দিয়ে রাত কাটছে না। শীতের তীব্রতা অগ্রাহায়নের শেষে টের পাওয়া যাচ্ছে। তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমেছে। তাইতো ঈশ্বরদীর নিকটাবর্তী পদ্মার চরাঞ্চল এবং গ্রামাঞ্চলের মানুষ আগেভাগেই লেপ-তোশক বানাতে শুরু করেছেন।

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বলে স্বীকৃত ঈশ্বরদীতে শীত পড়ার সাথে সাথে ধুনকারদের (লেপ-তোশকের কারিগর) তুলা ছাঁটাই ও লেপ তৈরির কাজে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। লেপ-তোশকের কারিগরদের এখন দম ফেলার সময় নেই। কেউ কেউ পুরনো লেপ ভেঙে নতুন করে বানিয়ে নিচ্ছেন। আবার কেউ নতুন তুলা দিয়ে তৈরি করছেন লেপ, তোশক ও বালিশ। অপরদিকে শহরের পাড়া-মহল্লায় ও গ্রামে লেপ-তোশকের ফেরিওয়ালাদের হাঁকডাকও ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। মৌসুমি ফেরিওয়ালারা শীত এলে রিকশা-ভ্যানে করে লেপ-তোশক বিক্রিতে নেমে পড়েন। তারা নগদ টাকার পাশাপাশি কিস্তিতেও লেপ-তোশক বিক্রি করেন।

ঈশ্বরদীতে শীত ও গড়ম দুটোই বেশি পড়ে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের শীত বস্ত্র ও আধুনিক ভারী কম্বল থাকলেও লেপের তুলনা নেই। লেপ ব্যবহারের আগ্রহ সবার মধ্যেই। ঈশ্বরদী পৌর শহরের আলহাজ্ব মোড় এলাকায় ১০টিরও বেশি লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত কাজ চলছে প্রতিটি দোকানে। দোকানগুলোতে কারিগরদের কর্মব্যাস্ততা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিমুল তুলার কেজি ৬৫০-৭০০ টাকা, কার্পাস তুলা ৩১০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি , কালো উল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, কালো রাবিশ তুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, সাদা তুলা ১১০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় তুলার দাম বাড়ার সাথে সাথে কাপড়ের দামও বেড়েছে প্রতি গজে ১০ থেকে ১৫ টাকা। প্রতিটি লেপ-তোষক তৈরিতে খরচ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেড়েছে বলে ধুনকাররা জানিয়েছে। মাঝারি ধরনের একটি লেপ বানাতে খরচ হচ্ছে ১,২০০ থেকে ২,০০০ টাকা। তোষক বানাতে ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হয়। তবে দামী-কমদামী বিভিন্ন রকমের তুলার প্রকারভেদে লেপ-তোষকের দাম কম-বেশি হয়ে থাকে।

বাজারে গার্মেন্টস ঝুট দিয়ে তৈরি সিঙ্গেল তোষক ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং ডবল তোষক সাইজ অনুযায়ী এক হাজার ৫শ থেকে এক হাজার ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। গত বছর শিমুল তুলা ছিল ৪শ টাকা কেজি। গার্মেন্টস ঝুট গত বছর ২৫/৩০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এবারে ৮০/৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তোষক বিক্রেতা আরমান খন্দকার। অন্যান্য তুলাও কেজি প্রতি ৬০/৭০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।

দাশুড়িয়া বাজারের দোকানদার বারেক নিজেই ধুনকারের কাজ করেন। তিনি বলেন, ক্রেতারা লেপ-তোষক বানাতে দিচ্ছেন। অর্ডার পেয়ে আমি ও কারিগররা লেপ-তোষক বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। একজন কারিগরের একটি লেপ তৈরিতে সময় লাগে ২-৩ ঘণ্টা। এভাবে একজন কারিগর দিনে গড়ে ৪ থেকে ৫ টি লেপ তৈরি করতে পারে। তুলার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে খরচ গত বছরের চেয়ে খরচ বেড়েছে। শীতের তীব্রতা যতো বাড়বে বেচা-কেনা আরও জমবে বলে আশা করছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!