1. swapanittefaq@gmail.com : dailyvision24.net :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
রেলপথে মাদক পাচার রোধে অভিযান, তিতুমীর এক্সপ্রেস থেকে মাদক উদ্ধার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ চ্যাম্পিয়ন ঈশ্বরদী ফুটবল একাদশকে সংবর্ধিত করল স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্ট খাল-বিলে পানি নেই, পাট পচাতে বিপাকে ঈশ্বরদীর কৃষক রূপপুরের কমিশনিং নিয়ে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা, প্রতিবাদ জানালো এনপিসিবিএল মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের ঢল পাবনা-ঢাকা ট্রেনের ঈশ্বরদী জংশনে স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি ঈশ্বরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ২০ ঈশ্বরদী নিউ এরা ফাউন্ডেশনে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প ও ছানি অপারেশন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: বিতর্ক, বাস্তবতা ও নিরাপত্তা নিয়ে মুখোমুখি এনপিসিবিএল-এর এমডি

ঈশ্বরদীতে চিরকুট লিখে হাসপাতালে শিশু সন্তান রেখে পালালেন মা

ষ্টাফ রিপোর্টার:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে
Oplus_16908288
ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিরকুট লিখে ১৯ দিন বয়সী একটি শিশু রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।
যার কোলে শিশুটিকে রেখে যাওয়া হয়, তিনি মোছা মিষ্টি আক্তার। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর গ্রামের মো. সাগর হোসেনের স্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মোছা মিষ্টি আক্তার তার জ্বর ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় আক্রান্ত স্বামী মো. সাগর হোসেনকে নিয়ে চিকিৎসা নিতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। বহির্বিভাগে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় এক অপরিচিত নারী তার কাছে এসে কোলে থাকা ১৯ দিন বয়সী শিশুটিকে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে বলেন এবং বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে চলে যান।
দীর্ঘ সময় পার হলেও ওই নারী আর ফিরে না আসায় বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে শিশুটির গায়ে জড়ানো কাপড়ের ভেতর একটি সাদা কাগজে লেখা চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে লেখা ছিল— “আপনি বাচ্চাটিকে হেফাজতে রাখবেন। বাচ্চাটির জন্ম ১ জানুয়ারি।”
বিষয়টি বুঝতে পেরে মোছা মিষ্টি আক্তার শিশুটিকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আলী এহসানের কক্ষে গিয়ে পুরো ঘটনা জানান।
খবর পেয়ে ড. আলী এহসান তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে দেখতে আসা অনেকেই এ ঘটনাকে অমানবিক উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার দাবি জানান।
মোছা মিষ্টি আক্তার বলেন, “আমি স্বামীকে নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছিলাম। এক নারী শিশুটিকে দিয়ে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে চলে যান। অনেক সময় অপেক্ষা করেও তাকে না পেয়ে শিশুটির কাপড়ের ভেতরে চিরকুট পাই। তখনই বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানাই।”
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. আলী এহসান বলেন,
“ঘটনাটি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। চিরকুটে একটি মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় নম্বরটির সূত্র ধরে শিশুটির অভিভাবকের সন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!