ঈশ্বরদীতে সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাবু (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৭ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে । বুধবার (৫ মে) রাতে ভুক্তভোগী শিশু কণার মা বাদী হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৯ মে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ঈশ্বরদীর ছলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী শাকরিগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাবু উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী শাকরেগাড়ী গ্রামের মৃত মনসুর আলী মোল্লার ছেলে।
ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটির একজন কর্মজীবি মহিলা। তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ওরফে বাবু মোটরসাইকেলে বেড়ানোর লোভ দেখিয়ে শাকরেগারী গ্রামের স্যান্ডেল ফ্যাক্টরির ভেতরে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিছুসময় পর ভুক্তভোগী শিশু কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে আসে। তখন সিরাজুলের বড় ভাইয়ের স্ত্রী ভুক্তভোগী শিশু কন্যার কান্নার কারন জানতে গিয়ে বুঝতে পারেন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যায় শিশুর মা ফিরে আসলে ঘটনা জানতে পারেন। তখন সে বাড়ীওয়ালা সিরাজুলের বড় ভাই আসাদুলের নিকট এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। তখন আসাদুল ও তার স্ত্রী ভুক্তভোগীর মাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঐ রাতেই বাড়ী থেকে বের করে দেয়। ভুক্তভোগীর মা বাধ্য হয়ে ওই রাতেই ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকায় নতুন বাসা ভাড়া করে করেন।
বাড়িওয়ালা আসাদুলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তার ভাই সিরাজুল কর্তৃক ধর্ষণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাটিকে একটু বেশি পেচাচ্ছেন বলে ফোন কেটে দেন।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সিরাজুল পলাতক রয়েছে। মোবাইলে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।