
লক্ষীকুন্ডার চরে এক বিঘা জমিতে লাউ চাষ করেছেন আমিনুল ইসলাম। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ২০-২৫ হাজার টাকা। রবিবার আওতাপাড়া পাইকারি আড়তে তিনি ১০ টাকা দরে ৭০টি লাউ বিক্রি করেন। দুপুর পর্যন্ত বসে থেকেও আর ক্রেতা পাননি।
চাষি মশিউর মৌসুমের শুরুর দিকে দেড়-দুই কেজি ওজনের একেকটি লাউ বিক্রি করেছেন ৪০-৪৫ টাকায়। মাঝামাঝি সময়ে তা কমে ২৫-৩৫ টাকায় দাঁড়ায়। শেষ সময়ে ৮-১০ টাকায় বিক্রি করছেন।
ঈশ্বরদী বাজারে প্রতিটি লাউয়ের দাম বিক্রেতারা রাখছিলেন ২০-২৫ টাকা। সবজি বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব ধরনের শাকসবজির দাম চড়া ছিল। শুক্রবার থেকে কোনো কোনো সবজির দামে ধস নামে। আম বাগানের পাইকারি বাজার থেকে সকালে ১০ টাকা দরে লাউ কিনে খুচরা ২০-২৫ টাকায় বিক্রি করছেন। তিনি আরও বলেন, আমদানি বেশি। সেই তুলনায় ক্রেতা নেই। এ কারণে কম দামেও পণ্য বিক্রি হচ্ছে না।
বাজারে লাউসহ সবজির সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা না থাকায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার। তিনি বলেন, উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে লাউয়ের চাষ হয়েছে। শীত কমে যাওয়ায় লাউয়ের চাহিদাও কমছে। লাউ চাষিরা এর আগে ভালো দামে লাউ বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।