ঈশ্বরদীতে ফের শুরু হয়েছে শৈত্য প্রবাহ। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অফিস ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এরআগে গত ১২ জানুয়ারি ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং ১৩ জানুয়ারি ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছিল। আবহাওয়া অফিস মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলেছে। গত সাতদিন ধরে এখানকার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে। মৃদু শৈত্য প্রবাহ হলেও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা ছিল অনেক বেশি। সেইসাথে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণেই বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
টানা কয়েকদিন দেখা মেলেনি সূর্যের। কুয়াশা ঝড়েছে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মতো। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রার পার্থক্য মাত্র ৩ থেকে ৬ ডিগ্রীর মধ্যে বিরাজ করছে। ফলে কনকনে শীতে জনজীবনে নেমে এসেছে দূর্ভোগ। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যায়নি সাধারণ মানুষ। রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। গাড়ী চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর ভিড়।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন জানান, গত কয়েকদিন ধরে ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৭ ডিগ্রী থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসর মধ্যে রেকর্ড করা হচ্ছে। সোমবার শীতের তীব্রতা অনুভূতির কারণ হচ্ছে রোদের দেখা নেই, পড়ছে ঘনকুয়াশা। কমেছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য।
গরম কাপড়ের অভাবে ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর। পেটের তাগিদে বাহির হলেও আক্রান্ত হচ্ছেন শীতজনিত নানান রোগে। সড়কে মানুষের চলাচল কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ভ্যান-রিকশাচালকরা। একইভাবে কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষজন।