ঘন কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়তে শুরু করেছে ঈশ্বরদীতে । সেই সাথে নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা, বইছে হিমেল হাওয়া। বিশেষ করে পদ্মা নদী তীরবর্তী মানুষজন উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় অনেক ঠান্ডা অনুভব করছেন।
প্রতিদিনই কমছে তাপমাত্রা। সোমবার সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা ঢেকে ফেলে। গত এক সপ্তাহ ধরে আগাম শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) আবহাওয়া অফিস ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। গত ১৫ নভেম্বরের আগে এখানকার তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রীর ওপরে ছিল। ১৫ নভেম্বর তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রী রেকর্ড হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর ১৭ ডিগ্রী এবং ১৭ নভেম্বর ১৫ ডিগ্রী রেকর্ড করা হয় বলে আবহাওয়া অফিসের সহকারি পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানিয়েছেন।
এরআগে গত ২৭ অক্টোবর হঠাৎ করেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত হয় চর্তুদিক। তবে এতদিন ধরে সকালের দিকে ঘন কুয়াশার দেখা যায়নি। কিন্তু শনিবার ভোরবেলা থেকে শুরু করে দিনের অনেকটা সময় ধরে কুয়াশার মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে সকাল থেকে ঠান্ডার প্রকোপ অনেকটা বেড়ে যায়। এ অবস্থায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত যান চলাচল সীমিত ছিল এবং অনেক চালককে হেড লাইট জ্বালিয়ে বাস ও ট্রাক চলাতে দেখা যায়। পরে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঠান্ডা হালকা কমে যায়।
এ ব্যাপারে আবহাওয়া অফিসের সহকারি পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, ঘন কুয়াশা ভোর থেকে বাড়লেও তাপমাত্রা খুব একটা কমেনি। ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রী থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা ওঠানামা করে বলে জানান তিনি। তবে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে আরো এ কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, শীতের আগমন ঘটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা। বছরের অন্যান্য সময় তারা অলস সময় কাটালেও বাংলা আশ্বিন মাস আসলেই এসব কারিগরগণ নতুন করে লেপ-তোষক তৈরি করতে বসেন।