জানা গেছে, শিক্ষক সংকটের কথা শুনে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা: কামরুল ইসলাম ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ২ জন অতিথি শিক্ষককে নিজে বেতন দিয়ে রেখেছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পাকশী কলেজের কয়েকজন শিক্ষককে দিয়ে মাঝে-মধ্যে স্কুলে এসে পাঠদানের ব্যবস্থা করেন। অর্থাৎ জোড়াতালি দিয়ে চালু রাখার প্রচেষ্টা। স্কুলে যাতায়াতের রাস্তাটি ভেঙে খানাখন্দে পরিপূর্ণ। পায়ে হেঁটেও এ রাস্তায় যাতায়াত করতে পারেন না শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। রাস্তা ভাঙার কারনে প্রায়ই ছাত্রদের বাইসাইকেল নষ্ট হয়। বৃষ্টির কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় রাস্তা। যেকারণে কাদাপানিতে কাপড় নোংরা হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রায়ই বাধ্য হয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে হয়।
চন্দ্রপ্রভার প্রাক্তন ছাত্র অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বলেন, শত বছরের প্রাচীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জৌলুস ম্লান হয়ে গেছে। দৈন্যদশা দেখে কষ্ট পাই। দাবি একটাই শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সংকটের সমাধান।
প্রাক্তন ছাত্র পাকশী রেলওয়ে কলেজের অধ্য মোস্তফা ইমরুল কায়েস পারভেজ বলেন, শিক্ষক সংকটের কারনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সপ্তাহে দুই দিন আমার কলেজের আইসিটি, বাংলা ও পদার্থ বিজ্ঞানের ৩ জন শিক্ষক কলেজের ক্লাসের ফাঁকে স্কুলে গিয়ে পাঠ দান করাচ্ছেন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘প্রাক্তনী’র সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান মঞ্জু বলেন, শতবর্ষ উদযাপনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রাক্তনীর পক্ষ থেকে স্কুলের শিক্ষক সংকট নিরসনের বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহ্ সূফী নূর মোহাম্মদ বলেন, স্কুলে শিক্ষক সংকট রয়েছে, এই স্কুলের একজন প্রাক্তন ছাত্রের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২ জন অতিথি শিক্ষক এবং অনুরোধ করে পাকশী রেলওয়ে কলেজ থেকে ৩ শিক্ষক এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ২ দিন পাঠ দান করাচ্ছেন। স্থায়ীভাবে শিক্ষক নিয়োগ দানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি শিক্ষক সংকট নিরসন হবে।