1. swapanittefaq@gmail.com : dailyvision24.net :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপি’র সংবাদ সম্মেলন বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈশ্বরদীতে স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন গণতন্ত্র ফেরার নির্বাচনে বিএনপি’র ভূমিধস জয় পাবনা-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বিজয়ী শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈশ্বরদীতে ভোটগ্রহণ চলছে: দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৯.১১ শতাংশ ঈশ্বরদীতে ডিবির বিশেষ অভিযানে ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল গুলিসহ ৩ জন গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এমিরেটস ফ্লাইট ক্যাটারিং -এ বায়োডাইজেস্টার স্থাপন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রস্তুতি পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কিরগিজস্তানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে রোসাটমের অ্যাডিটিভ প্রযুক্তি ঈশ্বরদীতে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগের ঘোষণা

অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন ঈশ্বরদীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

ষ্টাফ রিপোর্টার:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
ঈশ্বরদীর অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী সাদিয়ার লেখাপড়াসহ যাবতীয় খরচের দায়িত্ব নিয়ে  পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাস। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইউএনও এ ঘোষণা দিয়ে সাদিয়ার হাতে লেখাপড়ার খরচ বাবদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
 পৌরসভার বাবুপাড়া এলাকার অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী সাদিয়া ৫ম শ্রেণিতে জিপিএ -৫ অষ্টম শ্রেণিতে জিপিএ -৫ এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করে। তবে টাকার কাছে হার মানছে সাদিয়ার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন।
সাদিয়ার অর্থ  সংকটের খবর  বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হলে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশের নজরে আসে। এরপর তিনি সাদিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সাথে কথা বলেন। সাদিয়ার লেখাপড়া যাতে বন্ধ না হয় সে জন্য কলেজে ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনাসহ যাবতীয় খরচের দায়িত্ব নেন তিনি।
 ইউএনও সুবীর দাশ বলেন, ‘সাদিয়ার বাবার স্বপ্ন ছিল সাদিয়াকে ডাক্তার বানাবে। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা কষ্ট করে এসএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করিয়েছে। তবে কলেজে পড়ানোর মতো সামর্থ না থাকায় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। সংবাদ মাধ্যমে খবর দেখে সাদিয়ার পরিবারের সন্ধানে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি সাদিয়া অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি ছিল ভিন্ন ধরনের আগ্রহ। তবে আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে বন্ধের পথে পড়াশোনা। সাদিয়ার লেখাপড়া যেন বন্ধ না হয়ে যায়, একারণে আমি তাদের পাশে সব সময় থাকব। যদি এখান থেকে বদলি হয়ে অন্য কোথাও চলে যাই, তবুও সব সময় পাশে থাকব। তাদের বড় ছেলে হয়ে দায়িত্ব পালন করবো । উপজেলা সমাজসেবা অফিসে কথা বলেছি, তারা যেন সাদিয়ার মায়ের জন্য একটা বিধবা ভাতার কার্ড করে দিতে । জেলা প্রশাসক স্যারকেও জানিয়েছি, স্যার যেন সাদিয়ার বিষয়টি দেখেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!